সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
রাঙ্গাবালী উপজেলা ছাত্রলীগের নতুন সভাপতি আরিফ, সম্পাদক জামিল পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতি প্রধান আসামি গ্রেফতার মুরাদনগরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্লাস্টিকের বেঞ্চ সরবরাহ দা-বঁটি-ছুরি-চাপাতি বানাতে ব্যস্ত কামার শিল্পী, টুংটাং শব্দে মুখরিত তাড়াইল মির্জাগঞ্জে আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) উদ্যোগে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ মিরপুর সাইন্স কলেজের ৩য় ব্যাচের শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনে সকল রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানানো হবে : ওবায়দুল কাদের শেখ হাসিনা-মোদি বৈঠকে দু’দেশের সম্পর্ক আগামীতে আরো দৃঢ় করার ব্যাপারে আশাবাদী মোদির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী মির্জাগঞ্জে উপজেলা চেয়ারম্যান আবু বকর, ভা: চেয়ারম্যান শাওন মহিলা ভা: চেয়ারম্যান হাসিনা নির্বাচিত

তজুমদ্দিনের মেঘনায় ধরা পড়লো বিরল প্রজাতির ‘কাঁকড়া’

সাব্বির আলম বাবু (নিজস্ব প্রতিবেদক):
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ২৩ মে, ২০২৩
  • ৫৮১০ বার পঠিত

ভোলার মেঘনা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে বিরল প্রজাতির একটি কাঁকড়া। এটি দেখতে অনেকটা পানপাতা মাছের মতো। অশ্বক্ষুরের ন্যায় দেখতে উপবৃত্তাকার। শক্ত পিঠের ওপরে চোখ, নিচের অংশে মুখ ও ছোট ছোট অনেকগুলো পা। এবং পেছনে রয়েছে একটি সরু লেজ।

মঙ্লবার ভোলার তজুমদ্দিনের মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বোরহানউদ্দিন উপজেলার সাচড়া গ্রামের ফারুক মাঝির জালে এটি ধরা পড়ে। বিরল কাঁকড়াটি এখন অনেকেই তার নৌকায় এসে দেখে যাচ্ছেন।

ফারুক মাঝি জানান, প্রতিদিনের ন্যায় ওইদিনও মাছ ধরতে মেঘনা নদীতে জাল ফেলি। নৌকায় জাল তোলার সময় এই কাঁকড়াটি দেখতে পাই। পরে নৌকায় তুলে একটি পাত্রে পানি রেখে সেটার মধ্যে রেখে দেই। এখনও সেটি জীবিত আছে। তিনি আরও জানান, এ রকম কাঁকড়া কোনো দিন দেখিনি। লোক মুখে শুনেছি এই কাঁকড়ার দাম নাকি কয়েক লাখ টাকা। তাই বিক্রির আশায় এখনো রেখে দিয়েছি। ধরা পড়া কাঁকড়াটির ওজন প্রায় ৩শ গ্রাম। সরকারি আব্দুল জব্বার কলেজের প্রাণী বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান নীল কমল পাল বলেন, এটিকে কাঁকড়া বলা হলেও প্রজাতিগত দিক থেকে মাকড়সার সঙ্গে বেশি মিল রয়েছে। এরা লিমুলিডি গোত্রের অন্তর্গত সামুদ্রিক সন্ধিপদী। এরা প্রধানত অগভীর সমুদ্র ও নরম বালি বা কাদা সমৃদ্ধ সমুদ্রতলে বাস করে।

মৎস্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই কাঁকড়াটি হলো Horseshoe Crab লিমুলাস। এটি ‘রাজ কাঁকড়া’ নামেও পরিচিত। এরা প্রধানত অগভীর সমুদ্র ও নরম বালি বা কাদা সমৃদ্ধ সমুদ্রতলে বাস করে। আজ থেকে ৪৫ কোটি বছর আগে বিবর্তিত হয়ে এতদিন প্রায় অবিকৃত চেহারায় থেকে যাওয়ার জন্য এদের জীবন্ত জীবাশ্ম হিসেবে গণ্য করা হয়। এদের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত হওয়ায় অঙ্গসংস্থানিক পরিবর্তন ছাড়াই এরা পৃথিবীতে টিকে আছে। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোল্লা এমদাদুল্যাহ জানান, এটা Horseshoe Crab নামে এক ধরনের কাঁকড়া। ডাঙ্গায় এগুলো সচারচর দেখা যায় না। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষ এগুলো খেলেও আমাদের দেশে এগুলো কেউ খায় না। এগুলোর দাম নিয়ে লোক মুখে যা শোনা যায় সেগুলো গুজব। তার কোনো ভিত্তি নেই।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..