মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ০৬:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
রাঙ্গাবালী উপজেলা ছাত্রলীগের নতুন সভাপতি আরিফ, সম্পাদক জামিল পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতি প্রধান আসামি গ্রেফতার মুরাদনগরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্লাস্টিকের বেঞ্চ সরবরাহ দা-বঁটি-ছুরি-চাপাতি বানাতে ব্যস্ত কামার শিল্পী, টুংটাং শব্দে মুখরিত তাড়াইল মির্জাগঞ্জে আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) উদ্যোগে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ মিরপুর সাইন্স কলেজের ৩য় ব্যাচের শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনে সকল রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানানো হবে : ওবায়দুল কাদের শেখ হাসিনা-মোদি বৈঠকে দু’দেশের সম্পর্ক আগামীতে আরো দৃঢ় করার ব্যাপারে আশাবাদী মোদির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী মির্জাগঞ্জে উপজেলা চেয়ারম্যান আবু বকর, ভা: চেয়ারম্যান শাওন মহিলা ভা: চেয়ারম্যান হাসিনা নির্বাচিত

পলাশবাড়ীতে শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগের তদন্ত অনুষ্ঠিত

আশরাফুজ্জামান সরকার (গাইবান্ধা প্রতিনিধি):
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৩
  • ৫৮৩৫ বার পঠিত

পলাশবাড়ী উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা পরিবেশ মুখ থুবরে পড়ায় ব্যাপকভাবে তদারকি করে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনায় শিক্ষা অফিসার নাজমা খাতুনের বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লাগে একটি অনিয়ম ও দূর্নীতিবাজ সিন্ডিকেট চক্র।

জানা যায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নানা অনিয়ম দূর্নীতি প্রশয় না দেওয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪ জন প্রধান শিক্ষক উপজেলা শিক্ষা অফিসার নাজমা খাতুনের বিরুদ্ধে ২০২১-২২২ অর্থ বছরে বরাদ্দকৃত ক্ষুদ্র মেরামতের ২ লক্ষ টাকা হতে বিদ্যালয় প্রতি ৫-১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুকৌশলে আদায় করাসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ করেন।

প্রকাশ থাকে যে, অভিযোগকারী ৪ জন প্রধান শিক্ষকের মধ্যে চকবালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাধন সরকার বরাদ্দকৃত টাকা কাজ না করা, নিয়মিত বিদ্যালয়ে অনুস্থিত থাকা এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শূন্যের কোঠায় আসায় উক্ত প্রধান শিক্ষক সাধন সরকারের বেতন-ভাতা বন্ধ করে দেন। এছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বরাদ্দকৃত টাকা আত্মসাতের খবর বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশ হলে এবং সেই সকল বিদ্যালয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করায় একটি মহল ক্ষিপ্ত হয়ে উক্ত শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ১ এপ্রিল সকালে উপজেলার রিসোর্স সেন্টারে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে সহকারি পরিচালক আবুল কাশেম মিয়া তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করেন।

প্রধান শিক্ষকগণ বলেন, বর্তমান উপজেলা শিক্ষা অফিসার যোগদান করার পর হতে কঠোর তদারকির ফলে উপজেলা জুড়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোর শিক্ষার পরিবশে ফিরে এসেছে এবং অভিভাবকদের আস্থা অর্জন করেছেন।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার নাজমা খাতুন জানান, কোন প্রকার অনিয়ম দূর্নীতি করবো না যতক্ষণ দায়িত্বে থাকবো কাউকে কোন প্রকার অনিয়ম দূর্নীতি করতে দিবো না। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগকারীদের অনুরোধ কোন তথ্য প্রমাণ থাকলে তদন্ত কর্মকর্তার নিকট প্রদান করুন।

এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে সহকারি পরিচালক আবুল কাশেম মিয়া জানান, এ মহুর্তে বক্তব্য প্রদানের কিছু নেই তবে তদন্ত শতভাগ সম্পূর্ণ হয়েছে।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..