শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
তাড়াইলে জাতীয় উলামা মশায়েখ আইম্মা পরিষদের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ঈদ উপলক্ষে অসহায় শিশুদের মাঝে এসো গড়ি ফাউন্ডেশন’র পোশাক বিতরণ ঈদে নাড়ির টানে ঘড় মুখো মানুষের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করছে পুলিশ: গাইবান্ধা পুলিশ সুপার গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী পদ পেতে ২০ কোটি টাকার মিশনে মোসলেহ উদ্দীন ইলিয়টগঞ্জ-মুরাদনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়কের কাজ দ্রুত শুরুর তাগিদ এমপি জাহাঙ্গীর আলম সরকারে মির্জাগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত মির্জাগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত মুরাদনগরে ঈদের আগে ব্যবসায়ীদের সব পুড়ে ছাই বান্দরবানের থানচিতে কৃষি ও সোনালী ব্যাংকে ডাকাতি দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

বড়দিন উদযাপনে মশগুল সবাই, আচমকাই ডুবতে শুরু করল রেস্তোরাঁ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ৫৮২০ বার পঠিত

বড়দিন উদযাপন করতে ব্রিটেনের এক রেস্তোরাঁয় ভিড় করেছিলেন অতিথিরা। এসেক্সের লেকসাইড শপিং সেন্টারের পাশের এই রেস্তোরাঁটি আলাদাভাবে সবার নজর কাড়ে। হ্রদের ধারে একটি স্টিমারের মধ্যে তৈরি করা হয়েছে লেকসাইডের এই রেস্তোরাঁ।

কিন্তু হঠাৎই ‘মিলার অ্যান্ড কার্টার’ নামে ওই রেস্তোরাঁর ভেতরে সব কিছু যেন থমকে যায়। পানিতে ডুবতে শুরু করে।

শুক্রবার সকাল থেকেই রেস্তোরাঁ জুড়ে সাজ সাজ রব। ভেতরের সাজসজ্জায় বড়দিনের আমেজ ফুটে উঠেছে। মধ্যাহ্নভোজের জন্য খাবার তৈরির প্রস্তুতি তখন তুঙ্গে। ইতোমধ্যেই স্টেক খেতে হাজির হয়েছেন অনেকে।

ধীরে ধীরে বেলা গড়াচ্ছে। রেস্তোরাঁ তখন লোকে লোকারণ্য। খাবার পরিবেশন করাও শুরু হয়ে গেছে। কিন্তু হঠাৎ ভেতরে সব কিছু যেন থমকে যায়।

হঠাৎ করে রেস্তোরাঁটি যেন এক দিকে ঝুঁকতে শুরু করে। ধীরে ধীরে হ্রদের পানি ডুবে যেতে থাকে রেস্তোরাঁটি। বোঝা মাত্রই অতিথিরা ভয় পেয়ে ছোটাছুটি আরম্ভ করে দেন।

রেস্তোরাঁর সামনের দিক দিয়ে ভেতরের দিকে পানি ঢুকতে শুরু করে। রেস্তোরাঁর কর্মীরা অতিথিদের সবাইকে রেস্তোরাঁর ভেতর থেকে বের করেন।

কীভাবে রেস্তোরাঁটি ভেঙে গেল সেই বিষয়ে এখনও অন্ধকারে রয়েছেন কর্মীরা। ঘটনার পরেই ফেসবুকে রেস্তোরাঁর পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, যত দিন না রেস্তোরাঁটি আবার সংস্কার করা হচ্ছে, তত দিন তা বন্ধ রাখা হবে।

বড়দিন উপলক্ষে অনেকেই এই রেস্তোরাঁয় আগে থেকে আসন সংরক্ষণ করে রেখেছিলেন। তারা শেষ মুহূর্তে কোথায় খেতে যাবেন বা রেস্তোরাঁর পক্ষ থেকে সেই অতিথিদের জন্য কোনও বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে কী না তা নিয়েও রেস্তোরাঁয় যোগাযোগ করেন অতিথিরা।

সমাজমাধ্যমে রেস্তোরাঁর পক্ষে জানানো হয়েছে যে, এখন ফোন তোলার মতো পরিস্থিতিতেও তারা নেই। তবুও যতটা সম্ভব তাদের পক্ষ থেকে অতিথিদের সহায়তা করা হয়েছে। এই পরিস্থিতির জন্য ক্ষমাও চেয়েছেন তারা।

অনেকে একে ‘ডুবন্ত রেস্তোরাঁ’র সঙ্গে তুলনা করেছেন। অনেকে আবার মন্তব্য করেছেন, এই ঘটনা ‘টাইটানিক’ ডোবার স্মৃতি জীবন্ত করে দিয়েছে।

কিন্তু কেউ কেউ আবার রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষের ওপর ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন। রেস্তোরাঁর অসাবধানতার কারণেই এমন ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করছেন একাংশ। এমন ঘটনা উৎসবের পুরো আমেজকেই নষ্ট করে দিয়েছে বলে দাবি তাদের।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..