বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০১:২৬ পূর্বাহ্ন

খাগড়াছড়িতে ২ টিসহ ৫০ টি মডেল মসজিদ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

এস চাঙমা সত্যজিৎ (খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি):
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ৫৭৬২ বার পঠিত

এস চাঙমা সত্যজিৎ (খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি):

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার সদর উপজেলায় ১ টি ও মানিকছড়ি উপজেলায় ১টিসহ সারাদেশে দ্বিতীয় (২য়) ধাপে আরও ৫০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ সোমবার ১৬ জানুয়ারি গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি দ্বিতীয় পর্বে এসব মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

খাগড়াছড়িতে মডেল মসজিদ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেল খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মোঃ সহিদুজ্জামান, খাগড়াছড়ি গণফূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ারুল আজিম, খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার নিপুন আহম্মদ, খাগড়াছড়ি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মোঃ নাজমুস সাকিব, খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শানে আলম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার প্রমুখ।

মানিকছড়ি মডেল মসজিদ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি গণফূর্ত বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী জাহিদুল হাসান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, মানিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রক্তিম চৌধুরী, মানিকছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মাঈন উদ্দিন, ১ নং মানিকছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান ফারুক প্রমুখ।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী এম ফরিদুল হক খান বলেন, ইসলামের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারা দেশে ৫৬৪টি মডেল মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। তাই শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার সারা দেশে প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় ৫৬৪টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ করে বিশ্বের ইতিহাসে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মডেল মসজিদগুলোয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থাসহ অজু ও নামাজের জন্য আলাদা আলাদা জায়গা রয়েছে। এ ছাড়া থাকবে হজ গমণে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের জন্য রেজিস্ট্রেশন ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, ইমাম প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, গবেষণাকেন্দ্র ও ইসলামিক লাইব্রেরি, অটিজম কর্ণার, দাফনের পূর্বের আনুষ্ঠানিকতা, গাড়ি পার্কিং সুবিধা, হাফেজখানা, প্রাক্‌-প্রাথমিক শিক্ষা ও পবিত্র কোরআন শিক্ষার ব্যবস্থা, ইসলামি সাংস্কৃতিক সম্মেলন কক্ষ। এ ছাড়া আরও থাকছে ইসলামি দাওয়াত, ইসলামিক বই বিক্রয় কেন্দ্র ও মসজিদের সঙ্গে দেশি–বিদেশি অতিথিদের জন্য একটি বোর্ডিং সুবিধা।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী উপজেলায়, মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলো যেসব জেলা ও উপজেলা এলাকায় রয়েছে তন্মধ্যে হচ্ছে ফরিদপুরের ভাঙ্গা ও নগরকান্দা উপজেলা, গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলা, গোপালগঞ্জের সদর উপজেলা, কিশোরগঞ্জের সদর উপজেলা, কটিয়াদী উপজেলা, মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলা, সাটুরিয়া উপজেলা, নরসিংদীর সদর উপজেলা, মনোহরদি উপজেলা, রাজবাড়ীর জেলা সদর ও গোয়ালন্দ উপজেলা, শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলা, বগুড়ার ধুনট উপজেলা, নন্দীগ্রাম উপজেলা, নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলা, নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলা, পাবনার ভাঙ্গুরা উপজেলা, সিরাজগঞ্জের কাজিপুর, রাজশাহী সিটি করপোরেশন, রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলা ও কাউনিয়া উপজেলা, ঠাকুরগাঁওয়ের সদর উপজেলা, শেরপুরের সদর উপজেলা, পিরোজপুরে সদর উপজেলা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর ও কসবা উপজেলা, কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা, খুলনার রূপসা উপজেলা, কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলা ও ভেড়ামারা উপজেলা, মেহেরপুরের জেলা সদর ও গাংনী উপজেলা, সাতক্ষীরার দেবহাটা, সিলেটের গোয়াইনঘাট, সুনামগঞ্জের জেলা সদর ও জগন্নাথপুর, হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলা , খাগড়াছড়ির সদর উপজেলা ও মানিকছড়ি উপজেলা ।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..