বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ০৬:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সড়ক ও জনপথ কর্মকর্তার ব্যাংকে শত কোটি টাকার লেনদেন হরিরামপুরে ৪ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা অর্জনের অভিযোগ ডিপিএইচই’র প্রাক্কলনিক আনোয়ারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের উন্নয়নে চীনের সমর্থন অব্যাহত রাখার আশ্বাস দিলেন শি জিনপিং বেনজীর-মতিউর-এর কুশপুতুল দাহ করায় হুমকি : উদ্বেগ প্রকাশ কোটা সমস্যার সমাধান করার দাবি জাতীয় শিক্ষাধারার হরিরামপুরে পদ্মা তীর রক্ষা বাঁধে ধস, জনমনে আতংক মুরাদনগর শ্রীকাইলে ক্যাপ্টেন নরেন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে হুরোয়া চ্যাম্পিয়ন তাড়াইলের কথিত পীর লুৎফর রহমানের বিরুদ্ধে ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগ বর্ষার পানি বৃদ্ধির সঙ্গে বাড়ছে নৌকার চাহিদা

তাড়াইলে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য লাগামহীন: নেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ

আনোয়ার হোসাইন জুয়েল: তাড়াইল (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি:
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ৫৮৬২ বার পঠিত

আর্ন্তজাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধির অজুহাত এবং অতি মুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে নিত্যপণ্যের অগ্নিমূল্যে দিশেহারা সাধারণ মানুষ।

কিশোরগঞ্জের তাড়াইলেও একই চিত্র। তাড়াইল উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের প্রতিটি বাজারে দ্রব্যমূল্য লাগামহীন। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের অগ্নিমূল্যে পিষ্ট হচ্ছে এ উপজেলার নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষ।

২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ (শুক্রবার) উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, চাল কেজি প্রতি ৬০ টাকা, প্যাকেটজাত আটা ৬৫ টাকা, মুশুরির ডাল ১০০ টাকা, ছোলার ডাল ৬৮ টাকা, মুগের ডাল ১৩০ টাকা, ডিম ৫০ টাকা হালি, তেল ১৮৫ টাকা লিটার এবং খোলা তেল ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে কাঁচা মরিচ ১৪০ টাকা, পেঁয়াজ ৩০ টাকা, রসুন ৯০ টাকা, আদা ৯০ টাকা, আলু ৩০ টাকা, টমেটো ২০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, হলুদ ১৮০ টাকা, ফুলকপি ৪০ টাকা, বাঁধাকপি প্রতি পিচ ৩০ টাকা, লাউ প্রতি পিচ ৫০ টাকা, বেগুন ৪০ টাকা, সীম ৪০ টাকা ।

মাংসের বাজারে দেখা যায়, ব্রয়লার মুরগী প্রতি কেজি ১৯০ টাকা, কক ৩৪০ টাকা, লেয়ার কক ৩২০, গরুর মাংস ৬৮০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। বাজার করতে আসা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকদের সাথে কথা হলে তারা বলেন, সকল নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম উর্ধ্বমুখি। বাজার করতে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।এভাবে সকল পণ্যের দাম বাড়তে থাকলে আমরা যারা  নিম্ন আয় ও মধ্যবিত্ত পরিবারের লোক তাদের বাজার কিনে খেয়ে বেঁচে থাকার মতো অবস্থা নেই। তারা আরো বলেন, গরু ও খাশির মাংসের কাছে তো অনেক আগে থেকেই ঘেষা যাচ্ছে না। মধ্যবিত্তের মাংসের খাবার বলতে ব্রয়লার মুরগী তারও দাম বেড়ে গেছে। ফলেে এক-দুই মাসের মধ্যে মুরগীর মাংসও কিনতে পারছি না। সবকিছু আমাদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। বাজার করতে আসা মহর উদ্দিনসহ আরো কয়েকজন বলেন, আমাদের দুর্দশার শেষ নেই। আয় বাড়েনি অথচ সবকিছুর দাম উর্ধ্বমূখী। মাছ, মাংস, ডিম থেকে শুরু করে শাক-সবজির বাজারেও আগুন। দ্রব্যমূল্যের এতো দাম যে, যা কিনতে বাজারে আসছি তার কিছু কিনেছি আর বাকিগুলো না কিনেই বাড়ি ফিরতে হচ্ছে। তাড়াইল সদর বাজারের সবজি ও মনোহারী ব্যবসায়ীদের সাথে কথা হলে তারা জানান, চিনির দাম বেড়ে আবার কমেছে। চালের দাম কেজি প্রতি ২-৩ টাকা বেড়েছে। গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে সবজির দাম একটু বেশি। মৌসুম শেষের সময় সবকিছুর দাম বেশি হয়। দাম বেশি হলেও মানুষ খেয়ে বাঁচার জন্য তা কিনতে হচ্ছে। মানুষ আগের তুলনায় কম কিনছে। কিছু দিন পর সবজির দাম কমতে পারে। তারা আরো বলেন, গত এক সপ্তাহ পাইকাররা প্রতিদিনি ৫-১০ টাকা করে দাম বাড়াচ্ছে। সবকিছুর দাম বাড়ায় পাইকাররাও দাম বেশি নিচ্ছে। আমাদেরও বেশি দামে মাল কিনতে হচ্ছে। ফলে বিক্রিও করতে হচ্ছে বেশি দামে। এখানে আমাদের কিছু করার নেই।

এ বিষয়ে উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা লুবনা শারমিনের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বাজার মনিটরিং অব্যাহত আছে।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..