শনিবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
হরিরামপুরে দুই হাজার দুই পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ৬ জনের পদোন্নতি হলো সবুজ আন্দোলন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদে পটুয়াখালী বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ে সচেতনতা ও বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত পিসিটি পরিচালনা চুক্তি বাংলাদেশে সৌদি বিনিয়োগ বাড়াতে সহায়ক হবে: প্রধানমন্ত্রী সরিষা চাষে লাভের স্বপ্ন দেখছেন হরিরামপুরের কৃষকরা ৪৭ জন ইউএনওকে বদলির সুপারিশে ইসির অনুমোদন নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি নিয়ে আওয়ামী লীগ উদ্বিগ্ন নয় : ওবায়দুল কাদের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই শেষ, আগামীকাল আপিল শুরু রাজধানী ও আশেপাশের এলাকার নদী-খাল-বিল সংস্কারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ফিলিস্তিনে হত্যাযজ্ঞের নীরব দর্শকরা মানবাধিকার নিয়ে কথা বলার নৈতিক অধিকার হারিয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

বিএনপির চলমান অবরোধে জনগণের অংশগ্রহণ নেই : জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৫৭৬৩ বার পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি শাখার সভাপতি কলিম উদ্দিন মিলনের নেতৃত্বে বিএনপির একটি সমাবেশ থেকে মিডিয়াতে প্রচারিত অন্তত দুটি বাস ভাংচুরের ভিডিও তুলে ধরে চলমান অবরোধে জনগণের অংশগ্রহণ না করার বিষয়ে তার পুর্বের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
সমকালের ধারণকৃত ও প্রচারিত ভিডিও অনুযায়ী ৮ নভেম্বর বিএনপি নেতা কলিমের নেতৃত্বে কয়েকজন মদনপুর অবরোধ করে। তারা লাঠিসোঁটা ও রড নিয়ে সিলেট মহাসড়কের মোড় অবরোধ করে এবং ভাঙচুর চালায়। ভাঙচুরের সময় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম ও সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলামকেও লাঠি হাতে দেখা গেছে।
সজীব ওয়াজেদ তার ভেরিফায়েড এক্স হ্যান্ডেল (পূর্বে টুইটার) থেকে এই ধরনের মিডিয়া প্রতিবেদন সংকলন করে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন।
ভিডিওতে দেখা যায়, বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত সুনামগঞ্জে তাদের আকস্মিক উপস্থিতিতে আতঙ্কিত হয়ে মোড়ের দোকানদাররা তাদের দোকান-পাট বন্ধ করে দেয়। এসময় তারা লাঠিসোঁটা ও রড নিয়ে একটি বাস ভাঙচুর করে। পালাক্রমে হামলায় আরেকটি সিএনজি চালিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভাঙচুরের সময় ও পরে ‘অবরোধ চলবে’, ‘জ্বালো, জ্বালো’, ‘জিয়ার সৈনিক’ স্লোগান দেওয়া হয়।
পরে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য মিলন হামলাকারীদের স্বাগত জানান এবং একটি সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা দেন যেখানে তিনি কঠোর পরিণতির হুঁশিয়ারি দেন।
ভিডিওতে প্রায় ২০ জন লোকের উপস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে, সজীব ওয়াজেদ লিখেছেন ‘বক্তৃতা চলাকালীন, তিনি দাবি করেন যে অবরোধে দেশবাসীর সমর্থন রয়েছে। কিন্তু মিডিয়ায় সম্প্রচারিত ভিডিওটিতে দেখা যায় যে এতে কোনো গণ অংশগ্রহণ ছিল না, শুধুমাত্র তার ২০ জন অনুগত ক্যাডারে একটি দল ছিল।’
আরও সহিংসতা চালাতে বললে একই দলটি আরেকটি বাস ভাংচুর করে এবং পরে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়।
এদিকে সন্ধ্যার পর জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল চট্টগ্রাম মহানগর শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী সালাউদ্দিন কাদের আসাদের নেতৃত্বে অগ্নিসংযোগকারীদের একটি দল অবরোধ কার্যকরের আহ্বান জানিয়ে আরেকটি ঝটিকা সমাবেশ করে। ভিডিও অনুসারে যানবাহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনার রিপোর্টের মধ্যে তাদের আগুনের লাঠি বহন করতে দেখা যায়, যা পথচারীদের মধ্যে আতঙ্কের অনুভূতি সৃষ্টি করে।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..