সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
দৈনিক জনকন্ঠে ভূল সংবাদ পরিবেশন করায় ব্যবসায়ীর সংবাদ সম্মেলন সরকারের সময়োচিত উদ্যোগ বাস্তবায়নে পুলিশ জনবান্ধব বাহিনীতে পরিণত হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ ও নিরাপদে রাখতে পুলিশ সচেষ্ট থাকবে: রাষ্ট্রপতি রাফাহতে ইসরায়েলের হামলা হবে গাজার সাহায্যেও ‘কফিনে চূড়ান্ত পেরেক’ : জাতিসংঘ প্রধান অমর একুশে বইমেলার ২৬তম দিনে নতুন বই এসেছে ২৪৬টি বাংলাদেশ ফিলিস্তিনের নিপীড়িত জনগণের পাশে আছে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী বিএনপিকে ভুলের খেসারত দিতে হবে : ওবায়দুল কাদের দৃষ্টিনন্দন নগরী পটুয়াখালী এখন দর্শনার্থীদের আকর্ষণ লিবিয়া থেকে আরো ১৪৪ জন অনিয়মিত বাংলাদেশী দেশে ফিরেছেন স্বাস্থ্যসেবা বিকেন্দ্রীকরণ শুরু হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

লকডাউনে পার্টি করায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে জরিমানা!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২২
  • ৫৯৯৪ বার পঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

লকডাউনের মধ্যে পার্টি করায় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও অর্থমন্ত্রী ঋষী সুনাককে জরিমানা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এ বিষয়ে লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। দুই নেতাকে জরিমানার অঙ্ক জানিয়ে আরেকটি নোটিশ দেওয়া হবে।

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও বাসভবন ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে কয়েক দফায় পার্টির আয়োজন করা হয়। যদিও সে সময় সাধারণ মানুষের জন্য কোথাও সমবেত হওয়া দূরের কথা, একজনের আরেকজনের কাছাকাছি আসায়ও নিষেধাজ্ঞা ছিল।

বিবিসি বলছে, লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ করোনাবিধি ভেঙে ডাউনিং স্ট্রিট ও হোয়াইট হলে ১২টি জনসমাগমের অভিযোগ তদন্ত করছে। এসব ঘটনায় এরইমধ্যে অর্ধশতাধিক মানুষকে জরিমানা করা হয়েছে।

যাঁদের জরিমানা করা হচ্ছে, তাঁদের সবার নাম প্রকাশ করবে না পুলিশ। তবে জরিমানাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও অর্থমন্ত্রী ঋষী সুনাক থাকলে তাঁদের নাম প্রকাশের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সরকার।

১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের একজন মুখপাত্র আজ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীকে জরিমানার বিষয়টি কোন ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাঁদের সে বিষয়ে এখনো জানানো হয়নি।

তবে এই খবর প্রকাশের পর বিরোধী দল লেবার পার্টির নেতা স্যার কিয়ের স্টারমার বরিস জনসন ও ঋষী সুনাকের পদত্যাগ দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, এর মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয়েছে কনজারভেটিভরা দেশ পরিচালনার জন্য যোগ্য নন। ব্রিটেন তাঁদের চেয়ে ভালো নেতৃত্ব পাওয়ার দাবিদার।

স্যার কিয়ের স্টারমার বলেন, ‘বরিস জনসন ও ঋষী সুনাক আইন ভেঙেছেন এবং তাঁরা দফায় দফায় ব্রিটিশ জনগণের কাছে মিথ্যা বলেছেন। তাদের দুজনের অবশ্যই পদত্যাগ করতে হবে।’

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..